Updates from administer RSS Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • administer 4:32 pm on November 27, 2009 Permalink | Reply  

    সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা! ঈদ মোবারক

    Citation
     
  • administer 2:01 pm on November 22, 2009 Permalink | Reply  

    বাণিজ্যে সুবিচার! সেজন্য চাই আপনার সক্রিয় অংশগ্রহন

    আগামী ৩০ নভেম্বর হতে ০২ ডিসেম্বর ২০০৯ পর্যন্ত জেনেভা, সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার মন্ত্রীপর্যায়ের সর্বোচ্চ বৈঠক; যেখানে আগামীদিনের বিশ্ববাণিজ্য সংক্রান্ত বিধিমালা তৈরী হবে। আমরা পছন্দ করি বা না করি, বিভিন্ন দেশের বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যকে সফল করার লক্ষ্য নিয়ে বিশ্ব এখন পরিচালিত হচ্ছে। একদেশের পণ্য যাতে অবাধে অন্যদেশে প্রবেশ করতে পারে সেজন্য তৈরী হচ্ছে বিভিন্নরকম নীতি ও বিধিমালা, যার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে বিশ্ববাণিজ্য। মোস্ট ফেবারস্ নেশন (বিশ্ববাণিজ্য সংস্থায় যেসব দেশ ইতিমধ্যে স্বাক্ষর করেছে) হিসাবে বাংলাদেশও এই বাণিজ্যিক নীতি ও বিধি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।

    বাংলাদেশের অর্থনীতিকে স্বনির্ভর করার জন্য যেমন একদিকে স্থানীয় বাণিজ্যিক উদ্যোগকে প্রেরণা যোগাতে হবে, তেমনি এই স্থানীয় উদ্যোগগুলো যাতে বিশ্ববাণিজ্যের নীতি ও বিধিমালার কারণে ধ্বংশপ্রাপ্ত না হয়, সেজন্যও আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে; যদিও বিষয়টি একেবারে সহজ নয়। এজন্য দেশের সকল মানুষকে বিশেষতঃ ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাশ্রেনীকে বিশ্ববাণিজ্যের বিষয়ে বেশি বেশি সচেতন হতে হবে এবং নিজেদের স্বার্থ রক্ষার তাগিদেই সরকারকে স্থানীয় শিল্প ও ব্যবসায়ী উদ্যোগ যেন ধ্বংশ না হয়, সেবিষয়ে সরকার যাতে বিশ্ববাণিজ্য সংস্থায় নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার নীতিও বিধিমালাগুলোকে প্রভাবিত করতে উদ্যোগী ভূমিকা পালন করে; সেজন্য আমাদের তৎপর থাকতে হবে।

    বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার ৭ম মন্ত্রী পর্যায়ের সর্বোচ্চ বৈঠক উপলক্ষে অনলাইন নলেজ সেন্টার ইতিমধ্যে একটি প্রচারণা কার্যক্রম শুরু করেছে। শক্তি ও সামর্থ্য বিবেচনায় এই প্রচারণা মূলতঃ অনলাইনকেন্দ্রিক। সুতরাং আপনাদের সক্রিয় অংশগ্রহন আমাদের এই প্রচারণাকে শক্তি ও সামর্থ্য প্রদান করবে। প্রচারণায় অংশ নিতে লগ ইন করুন: http://www.thepetitionsite.com/1/trade-justice এবং পিটিশনটিতে স্বাক্ষর করুন। বিশ্ববাণিজ্য সর্ম্পর্কিত বিষয়াদি নিয়ে আমাদের আলোচনায় অংশগ্রহন করুন এবং অন্যান্যদের অংশগ্রহন করতে আমন্ত্রণ জানাতে পারেন। বিশেষতঃ দেশের তরুন ও যুবসম্প্রদায়কে আলোচনায় অংশগ্রহন করার জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হচ্ছে।

    প্রচারণার অংশ হিসাবে আগামী ২৫ নভেম্বর ২০০৯ তারিখে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে আপনাকে সাদর আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।
    আমাদের দাবীসমুহঃ

    ১. ধনীবিশ্বের বাজারে স্বল্পোন্নত দেশসমুহের পণ্যকে কোটা ও শুল্কমুক্ত হিসাবে অবাধে প্রবেশাধিকার প্রদান করতে হবে।

    ২. স্বল্পোন্নতদেশসমুহের স্বল্পদক্ষ ও আধা-দক্ষ শ্রমিকদের অবাধে বিশ্বব্যাপী চলাচল নিশ্চিত করতে হবে।

    ৩. জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত উদ্বাস্তুদের পৃথিবীর যেকোন নিরাপদ স্থানে অবাধে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

     
  • administer 1:12 pm on November 20, 2009 Permalink | Reply  

    HOW TO BE A GREAT BOSS!

    - Creativity means doing new things with old ideas.

    - Treat innovation as an import-export business. Keep trying to bring in ideas from outside your group or organization, keep trying to show and tell others about your ideas, and blend them all together.

    - Look for and build “intersections” places where people with diverse ideas gather together. And when you go there, talk to the people you don’t know, who have ideas you know nothing about, and ideas you find weird, don’t like, or useless.

    - Say “I don’t know” on a regular basis.

    - Innovation entails creativity + implementation. Developing or finding a great idea is useless if you can’t implement it or sell it to someone who believes they can.

    From Changemaker Blog
     
  • administer 7:52 pm on November 19, 2009 Permalink | Reply  

    প্রিয় বন্ধুরা, আমাদের এ সপ্তাহের আলোচক, বাধন অধিকারীকে আজ রাতে হঠাৎ করে তার অফিস থেকে জানিয়েছে যে, আগামীকাল শুক্রবার জরুরি প্রয়োজনে তাকে অফিস করতে হবে। আমরা যেহেতু সবাই নিজের কাজের পাশাপাশি আমাদের ফোরামের আলোচনায় অংশ নিচ্ছি, তাই আমাদের প্রাধান্য দিতে হয় নিজের কাজকে। এই বিবেচনায় আগামীকালের বিকেল ৩টার আলোচনা সভা সন্ধা ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে। আপনারা যারা আগ্রহী, তাদের সবাইকে সন্ধ্যা ৭টায় ওয়ার্কস্টেশনে আসার আহ্বান জানানো হলো।

    ই-সোসাইটি মডারেটর
     
  • administer 6:51 pm on November 19, 2009 Permalink | Reply  

    A business entrepreneur might create new products or services, social entrepreneurs create new solutions to social problems.

    Bill Drayton
     
    • mofaq kharul islam taufiq 8:57 পুর্বাহ্ন on নভেম্বর 21, 2009 Permalink | Reply

      দাদা আমার আসার ইচ্ছে ছিল।আগামি কাল আমার পরীক্ষা আছে।তাই আসতে পারলাম না।ভালো থাকবেন।শুভ কামনা রইল।

  • administer 5:46 pm on November 13, 2009 Permalink | Reply  

    আগামী মাসের ৭ হতে ১৮ ডিসেম্বর ২০০৯ ডেনমা… 

    সর্বাগ্রে চাই জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতি মোকাবেলাঃ আপনার সক্রিয় অংশগ্রহন প্রয়োজন

    আগামী মাসের ৭ হতে ১৮ ডিসেম্বর ২০০৯ ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে জাতিসংঘের জলবায়ু পরিববর্তন সম্মেলন বা কনফারেন্স অব দ্য পার্টিস (কপ-১৫) অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলায় সারাবিশ্বের নেতৃবৃন্দ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহন করবেন।

    জলবায়ু পরিবর্তনের তি প্রশমনে কার্বন নিগর্মনের মাত্রা হ্রাস, স্বল্পোন্নত ও অধিক ঝুঁকিপূর্ণ দেশসমুহের জন্য তহবিল গঠনসহ বাধ্যবাধকতামূলক প্রতিশ্র“তি আদায়ের জন্য স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলির প হতে বাংলাদেশকে আরো সোচ্চার ভূমিকা পালন করতে হবে। জাতিসংঘের ইন্টার গভার্নমেন্টাল প্যানেল অন কাইমেট চেইঞ্জ বা আইপিসিসির হিসাব অনুযায়ী বৈশ্বিক উষ্ণতায় সবচাইতে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে মালদ্বীপ, টুভালু, কিরিবাতি, কোস্টারিকা, বাংলাদেশ, হন্ডুরাস, নিকারাগুয়া, ভিয়েতনাম, ডোমিনিকান রিপাবলিক প্রভৃতি। এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে ভুটান ও নেপালও মারাত্মকভাবে তিগ্রস্থ হওয়ার আশংকা রয়েছে। এসবদেশের মধ্যে বাংলাদেশকে নেতৃস্থানীয় ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হবে। বাংলাদেশের জোরালো পদপে গ্রহণের ওপর এই সম্মেলনের সাফল্য অনেকটা নির্ভর করছে।

    বাংলাদেশের এই নেতৃস্থানীয় ভূমিকাকে অগ্রসর করার জন্য একদিকে সরকারকে আরও বেশি দায়িত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে, অন্যদিকে জনগণকে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের দাবীসমূহকে উপস্থাপন করে সারাবিশ্বের মানুষের মধ্যে সংহতি স্থাপনের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহন করতে হবে।

    এই উদ্যোগের অংশ হিসাবে দেশের বিভিন্ন সংগঠন বিভিন্ন প্রচারণা ও কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অনলাইন নলেজ সেন্টার একই উদ্দেশ্যে একটি অললাইন পিটিশন সাবমিট করেছে। পিটিশনটির লিংক: Climate First! Act Now

    উক্ত পিটিশনে স্বার করার মাধ্যমে আপনিও এই প্রচারণায় অংশ নিতে পারেন। আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচারণা এই মূহুর্তে খুবই জরুরি। পিটিশনটিতে নিজে স্বার করুন এবং অন্যকে স্বার করতে উৎসাহিত করুন।

     
    • mofaq kharul islam taufiq 6:56 অপরাহ্ন on নভেম্বর 13, 2009 Permalink | Reply

      প্রদীপ দাদা- আমি আপনার সাথে একমত।বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের দাবীসমূহকে উপস্থাপন করে সারাবিশ্বের মানুষের মধ্যে সংহতি স্থাপনের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহন করতে হবে।

      • [OKCentre] 8:45 অপরাহ্ন on নভেম্বর 13, 2009 Permalink | Reply

        তৌফিক, ধন্যবাদ। আমরা এখন থেকে আগামী মাসের ৫ তারিখ পর্যন্ত বিভিন্ন স্কুল-কলেজ-বিশ্বাবিদ্যালয় ও এলাকায় ‌জলবায়ু পরিবর্তন, বাংলাদেশের অবস্থান ও আমাদের যৌক্তিক দাবীসমুহ’ নিয়ে ছোট ছোট সভা অনুষ্ঠিত করার কর্মসূচী গ্রহন করেছি। আপনি যদি কোন স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা এলাকায় এমন সভা আয়োজন করতে চান, তবে তা আমাদের জানাবেন। আমরা আলোচনার ভিত্তিকে সভার তারিখ ঠিক করবো।
        এটি সম্পূর্ণ একটি ব্যক্তি উদ্যোগ, যা অনলাইন নলেজ সেন্টার ব্লকের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। সভাটি হতে আমাদের তরুন প্রজন্ম জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক ইস্যু নিয়ে কিভাবে ব্যক্তি পর্যায় থেকে কাজ করা যায়, সেই বিষয়গুলোও আলোচনা করা হবে, যাতে করে আমরা সবাই যে যার অবস্থান থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করতে পারি।

        • mofaq kharul islam taufiq 10:36 পুর্বাহ্ন on নভেম্বর 14, 2009 Permalink | Reply

          হ্যা, আমার ক্যাম্পাস “সরকারি তিতুমীর কলেজে” একটি সভার আয়োজন করতে পারি।

          • prodip 10:39 পুর্বাহ্ন on নভেম্বর 14, 2009 Permalink | Reply

            ধন্যবাদ, তৌফিক! আলোচনা করে সময় ও তারিখ ও স্থান (শনিবার ও সোমবার ছাড়া) জানালে খুশি হবো।

    • prodip 5:50 অপরাহ্ন on নভেম্বর 14, 2009 Permalink | Reply

      জলবায়ু প্রশ্নে ন্যায্যতার দাবিতে আজ রবিবার থেকে ২১ নভেম্বর সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে গ্রামীণ জীবনযাত্রার স্থায়িত্বশীল উন্নয়নের জন্য প্রচারাভিযান (সিএসআরএল) ও অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল। কর্মসূচি:
      ১৫ নভেম্বর বিকাল ৪টায় জাতীয় জাদুঘরে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী,
      ১৭ নভেম্বর ধানমন্ডি লেকে নৌকা শোভাযাত্রা,
      ১৮ নভেম্বর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় সভা,
      ১৯ নভেম্বর একই স্থানে সকাল ১১টায় প্রকাশনা অনুষ্ঠান,
      ২০ নভেম্বর নটরডেম কলেজ মিলনায়তনে দিনব্যাপী স্বজন সমাবেশ ও দেয়ালিকা উৎসব এবং
      ২১ নভেম্বর বিকাল ৩টায় রমনা বটমূলে বাউল সমাবেশ ও জাতীয় জলবায়ু শুনানি।

    • prodip 11:15 পুর্বাহ্ন on নভেম্বর 21, 2009 Permalink | Reply

      http://www.shaptahik.com/v2/?DetailsId=656

      ::WELCOME TO http://WWW.SHAPTAHIK.COM::
      Source: http://www.shaptahik.com
      জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে দফায় দফায় সভা চলছে। জেনেভায় শেষ না হতেই, ব্যাংকক। ব্যাংকক, জেনেভায় শেষ না হতেই চাঁদ মামার ডাকে আবার সবাই হাজির নিউইয়র্কে, জাতিসংঘের সভা কক্ষে। আমাদের প্রধানমন্ত্রীও গিয়েছিলেন। সে বৈঠক …

    • prodip 1:21 অপরাহ্ন on নভেম্বর 22, 2009 Permalink | Reply

  • administer 11:52 am on November 13, 2009 Permalink | Reply  

    এ সপ্তাহের আলোচনার বিষয়ঃ বিকল্প মিডিয়া ও উন্নয়ন, নির্ধারিত আলোচকঃ বাধন অধিকারী 

    ই-সোসাইটির নিয়মিত পাঠচক্র পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে। উক্ত পাঠচক্রে সকল সোস্যাল এক্টিভিষ্ট ও স্বেচ্ছাসেবী সমাজকর্মীদের আমন্ত্রণ। প্রথম পাঠচক্রটি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ নভেম্বর ২০০৯, বিকেল ৩টা। স্থানঃ ওয়ার্কস্টেশন, 7/22, Block C, Tajmahal Road, Mohammadpur, Dhaka-1207। আলোচনার বিষয়ঃ বিকল্প গণমাধ্যম ও উন্নয়ন, উপস্থাপকঃ বাধন অধিকারী।

    আগ্রহী অংশগ্রহন কারীদের ই-মেইলে যোগাযোগ করার আমন্ত্রণ জানানো হলো। ইমেইল OKCentre@gmail.com

     
    • prodip 1:29 অপরাহ্ন on নভেম্বর 13, 2009 Permalink | Reply

      বাধন, বিকল্প গণমাধ্যম বলতে আপনি কি বোঝাতে চাচ্ছেন, কিভাবে এটি কাজ করবে এবং কিভাবে এটি সমাজের সার্বিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে, এ বিষয়ে আলোকপাত করুন; যাতে সবাই আলোচনায় অংশ নিতে পারে।

      • Badhan Adhikari 1:50 অপরাহ্ন on নভেম্বর 15, 2009 Permalink | Reply

        ৫ বছরের মিডিয়া অধ্যায়ন শেষে এসে বিকল্প গণমাধ্যমকে সংজ্ঞায়িত করা আমার পক্ষে সত্যিই কঠিন। আমি তাকে বৈশিষ্ট্যায়িত করতে পারি মাত্র। সেখানে আমার ভাবনায়; ক্রমকর্তৃত্বতন্ত্রবিহীন, পারস্পারিক অংশগ্রহণমূলক, মুনাফালোভবিহীন এবং কর্পোরেট মুনাফাবাজ পুঁজির স্বার্থের বিপরীতে কোনো মাধ্যম দাঁড়ালে মোটাদাগে তাকেই আমি বিকল্প গণমাধ্যম বলতে চাই।

        এই মিডিয়া কাজ করবে কিভাবে, মানে এমন মিডিয়া গড়ে তুলব কি করে, তারও সুনির্দিষ্ট কোনো রাস্তা আমার জানা নাই। সম্ভবত দুনিয়ার কারও জানা নেই। অনেক অনেক এ্যাকটিভিস্ট-এর মতো এই উত্তর খুঁজে যাচ্ছি আমিও। কিছু কিছু ইশারা দাঁড় করাতে পারছি। যেমন, আমি খুবই আশাবাদী নয়া যোগাযোগ প্রযুক্তি নিয়ে। আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন, তবুও বলছি, ইংল্যাণ্ডে শ্রমিকদের প্রেসগুলোকে ধ্বংস করা হয়েছিলো ছাপা আর কাগজের দাম বাড়িয়ে। কিন্তু ইন্টারনেটের মুক্ত স্পেস প্রাযুক্তিক বৈশিষ্ট্যের কারণেই গণতান্ত্রিক এবং এই গণতান্ত্রিকতার সুযোগ নিয়ে ৫০০০/১০,০০০ টাকায় আমরা একটা বিকল্প মিডিয়া প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারি। ৫০০জন মানুষ মাসে ১০০ টাকা করে দিলে কিন্তু এই মিডিয়া চালানো সম্ভব। সেখানে আমরা জাতীয় স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে এবং কর্পোরেট স্বার্থের বিপরীতে সত্যিকারের সামাজিক চাহিদার উপর ভিত্তি করে নিউজ-ভিউজ প্রকাশ করতে পারি।

        প্রশ্ন উঠতে পারে, বিকল্প গণমাধ্যমের ভোক্তা কারা? শ্রমিক-কৃষকের কাছে তো ঐ মিডিয়া পৌঁছতে পারবে না। কিন্তু বাংলাদেশের সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশের অঙ্গীকার করেছে। এটই অঙ্গীকার পূরণে তাদের বাধ্য করা আমাদের কর্তব্য। সেই চেষ্টা করে যেতে হবে। বাংলাদেশের নিবেদিতপ্রাণ সফটওয়্যার কর্মী আমাদের বাঙলা ভাষাকে ইন্টারনেটের দুনিয়ায় পৌঁছে দিয়েছে। তাই অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন যেকোনো মানুষ একটু প্রশিক্ষিত হলেই কিন্তু তিনি এমন মিডিয়াতে এ্যাকসেস করতে পারবেন। এসব পরের প্রশ্ন। আপাতাত আমাদের ম্যধবিত্ত পরিসরেই এমন মিডিয়ার প্রচেষ্টা চালাতে পারি।

        উন্নয়নে বিকল্প গণমাধ্যম কি ভূমিকা রাখবে সেটা আমি আপাতত এককথায় বলতে চাই। কেননা খোদ উন্নয়ন নামের ডিসকোর্স তার উপনিবেশিক চরিত্রকে সঙ্গে নিয়ে প্রাধান্যশীল ধারা, টেকসই উন্নয়ন ধারা পার করে আজকে এসে অমর্ত্য সেনের ধারণা মোতাবেক মানুষের স্ব-ক্ষমতা পর্যন্ত একাডেমিকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। আমি উন্নয়ন বলতে স্বাধীনতা বুঝি। জিডিপি-প্রবৃদ্ধি-শিল্পায়িত হওয়া নয়, উন্নয়ন বলতে আমি মানুষের স্বাধীন অর্থনৈতিক-রাজনৈতক-সামাজিক-সাংস্কৃতিক জীবনমানের দিকে এগিয়ে যাওয়া বুঝি। সেই বিবেচনায় কোনো কর্পোরেট গণমাধ্যম নয়ম একমাত্র বিকল্প গণমাধ্যরমে পক্ষেই সম্ভব উন্নয়নে ভূমিকা রাখা, কেননা কর্পোরেট স্বার্ধ আর আমার বিবেচনায় যা উন্নয়ন এই দুইয়ের মধ্যে টানাপোড়েন আছে।

        • prodip 2:31 অপরাহ্ন on নভেম্বর 15, 2009 Permalink | Reply

          বর্তমানে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের সাইট টুইটার ভিজিট করলাম। আমাকে আকৃষ্ট করলো একটি বাক্য: We value talent, creativity, and a sense that anything is possible. অবশ্যই ট্যালেন্টস, ক্রিয়েটিভিটি ও সেন্সের সুষম সমন্বয় ঘটলে যেকোন কিছু সম্ভব। ইন্টারনেটের কল্যাণে দিন দিন সামাজিক যোগাযোগের সাইটগুলো জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। প্রতিদিন আমাদের বিশাল একটা সময় কেটে যায় ফেজবুক, টুইটার, ওয়ার্ডপ্রেস, ব্লগার, সামহোয়্যারইন ব্লগ, প্রথম আলো ব্লক সহ বিভিন্ন জনপ্রিয় সাইটগুলোতে। নিছক আনন্দ কিংবা আনন্দের সাথে কাজ – এই দুটির সম্মিলন ঘটানোর প্রচেষ্টা চলছে সামাজিক যোগাযোগের সাইটগুলোতে। বাঙালী যুবকদের তৈরী মুক্তমনা কিংবা ই-মেলাসহ জানা-অজানা অনেক সামাজিক যোগাযোগের সাইট তৈরী হয়েছে, যা বিকল্প গণমাধ্যম হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সামাজিক ব্লগগুলোর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত যেকোন ইলেক্ট্রনিক চ্যানেল / টিভি কিংবা সংবাদপত্রের পূর্বেই যেকোন ঘটনার সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে খুব সহজেই। আমার মোবাইলে নিউজ সার্ভিস অন করা আছে। প্রায়শই আমি লক্ষ্য করি, যে সংবাদগুলো আমি ব্লগের মাধ্যমে পূর্বেই পেযেছি, তাই তারা পাঠাচ্ছে আধা ঘন্টা কিংবা এক ঘন্টা পর। যে সংবাদ আমি ব্লগে পড়ি, সেই সংবাদ দেখি আধা ঘন্টা কিংবা এক ঘন্টা পর ইলেকট্রনিক চ্যানেলগুলোতে। অর্থাৎ অনলাইন সামাজিক যোগাযোগের সাইটগুলো প্রায় সবার আগে সর্বশেষ সংবাদ পরিবেশন করছে।
          যদিও অনলাইন মিডিয়া এখনো দেশের মুষ্ঠিমেয় মানুষের নাগালে আছে, তবুও আশা করা যায়, এখানে ট্যালেন্টস, ক্রিয়েটিভিটি এবং সেন্সের সুষ্ঠ সমন্বয় ঘটলে অচীরেই আমরা এটাকেই বিকল্প গণমাধ্যম হিসাবে বিবেচনা করতে পারব।

          • আসাদ 5:28 পুর্বাহ্ন on নভেম্বর 17, 2009 Permalink | Reply

            প্রিয় বাধন,
            আপনার জ্ঞানগর্ব লেখাটি আমার দৃষ্টি কেড়েছে। বিশেষ করে “বিকল্প গণমাধ্যম”কে চমৎকারভাবে
            সংজ্ঞায়িত করেছেন। কিন্তু আমার জানামতে বাংলাদেশে এ ধরণের গণমূখী কোন “মিডিয়া” নেই।
            আমাদের সবাইকে এ ধরণের একটি “মিডিয়া” সৃষ্টির লক্ষ্যেই কাজ করতে হবে।

            • [OKCentre] 12:49 অপরাহ্ন on নভেম্বর 17, 2009 Permalink | Reply

              ধন্যবাদ আসাদ! আলোচনায় সক্রিয় অংশগ্রহন চাই। সেইসাথে প্রস্তাবনা এবং বিশেষ করে এমন কিছু প্রস্তাবনা, যা আমরা করতে পারি কিংবা যেকোন ব্যক্তি যে কোন পর্যায় থেকে দায়িত্বগুলি পালন করতে পারে ও যার দীর্ঘমেয়াদী ফলাফল আছে।

      • prodip 6:02 অপরাহ্ন on নভেম্বর 17, 2009 Permalink | Reply

        উত্তরাঞ্চলের ইউনিয়নগুলোতে হচ্ছে টেলি সেন্টার ঃঅনলাইনে বসেই পাওয়া যাবে কৃষি ও শিক্ষাসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের তথ্য
        ।। রাজশাহী অফিস ।। দৈনিক ইত্তেফাক, ১৮ নভেম্বর ২০০৯

        রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলে ষোল জেলার ইউনিয়ন পর্যায়ে দুই সহস্রাধিক কমিউনিটি টেলি সেন্টার প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। থমিকভাবে রংপুরের তারাগঞ্জে পরীক্ষামূলক একটি কমিউনিটি টেলি সেন্টার স্থাপন করা হচ্ছে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের যৌথ অর্থায়নে টেলি সেন্টারগুলো স্থাপন করা হচ্ছে। তথ্য সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

        জানা যায়, ইউনিয়ন পর্যায়ে স্থাপনকৃত প্রতিটি সেন্টারে কমপক্ষে পাঁচজন লোকের কর্মসংস্থান হবে। প্রতিটি টেলি সেন্টারে থাকবে ইন্টারনেটসহ পাঁচটি কম্পিউটার, একটি মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, ফ্যাক্স, টেলিফোন, ডিজিটাল প্রিন্টার, স্ক্যানার, সিডি রাইডারসহ আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা। প্রতিটি সেন্টারের মালিকানা পরে ছেড়ে দেয়া হবে শিক্ষিত বেকারদের কাছে। এই জন্য প্রার্থী নির্বাচনের পর ঐ প্রার্থীকে কম্পিউটারসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ওপর প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। তারাই টেলি সেন্টার পরিচালনা করবে। এজন্য সরকারকে কোন অর্থ কিংবা জামানত দেয়া লাগবে না।

        ইতিমধ্যে প্রতিটি টেলি সেন্টারের জন্য ডাটা ব্যাংক তৈরির কাজ চলছে। এই তথ্য ব্যাংকে থাকবে কৃষি ও কৃষিজাতপণ্যের উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ সংক্রান্ত সব তথ্য। কোন্ মৌসুমে কি চাষ হবে, কোথায় সার, বীজ, কীটনাশক পাওয়া যাবে, সংশ্লিষ্ট পণ্যসামগ্রীর দাম, সংশ্লিষ্ট সেক্টরে বিশেষজ্ঞের নাম ও টেলিফোন নম্বর থাকবে। এছাড়া শিক্ষাক্ষেত্রে দেশ-বিদেশের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম-ঠিকানা, ভর্তি ও কোর্স সংক্রান্ত তথ্য, ই-লার্নিং বা অনলাইনে বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক কোর্সে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে।

        এছাড়া চাকরি সংক্রান্ত তথ্য, চাকরির জন্য অনলাইনে আবেদন, দৈনিক পত্রিকার ইন্টারনেট সংস্করণ, পাসপোর্ট ফরমসহ সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও সেবা সম্পর্কে তথ্য প্রদান, হজ্ব সংক্রান্ত তথ্য, জাতীয় পরীক্ষার ফলাফল, অনলাইনে পণ্য বেচাকেনা এবং শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করার সুযোগ পাবে। অপরদিকে কম্পিউটার ব্যবহার, ইন্টারনেট, ই-মেইল, ওয়েবসাইট ব্রাউজিং, অপারেটিং সিস্টেম, অফিস প্যাকেজ, ইন্টারনেট ওয়েবসাইট তৈরি করা যাবে।

        জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে নতুন এই প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে আড়াইশ’ কোটি টাকা। জাপান সরকারের অর্থায়নে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বাংলাদেশে প্রাথমে ২৫টি সেন্টার স্থাপন করবে। এর মধ্যে রংপুরের তারাগঞ্জ ১টি টেলি সেন্টার স্থাপন করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে উত্তরাঞ্চলের এক হাজার ৯৬টি ইউনিয়নে দুইটি করে সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। ‘ইনফরমেশন হাইওয়ে’ নামে এ প্রকল্পের মাধ্যমে সেন্টার স্থাপন করা হবে বাংলাদেশসহ নেপাল, ভুটান ও ভারতে। সরকারি বিভিন্ন সংস্থার পরিত্যক্ত ঘরগুলোকে এই প্রকল্পের ঘর হিসেবে কাজে লাগানো হচ্ছে। ডিসেম্বর নাগাদ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    • prodip 4:33 অপরাহ্ন on নভেম্বর 15, 2009 Permalink | Reply

      তুষার / কনক / সৈকত / শিউলী / বাধন / তৌফিক

      আগামী শুক্রবার ‌বিকল্প মিডিয়া ও উন্নয়ন বিষয়ক আলোচনা উপস্থাপন করবে বাধন অধিকারী। ইতিমধ্যে বাধন বিকল্প মিডিয়া সর্ম্পকিত তার বক্তব্য উপস্থাপন করেছে। আমিও একটি ধারণা উপস্থাপন করেছি। এই বিষয়ে তোমাদের নিজস্ব মতামত ও ধারণা এখানে পোষ্ট করার জন্য আহ্বান জানানো হলো।
      আলোচনার পূর্বে আমরা যদি আমাদের ধারণাগুলো এখানে পোস্ট করতে পারি, তাহলে আমরা সবাই একে অপরের ধারণার সাথে পরিচিত থাকতে পারবো এবং সাপ্তাহিক আলোচনার দিনের আলোচনাটি আরও বেশি প্রানবন্ত হবে বলে আমার ধারণা।

      সকলের সময়ের কথা বিবেচনা করে অনলাইন ভিত্তিক এই আলোচনার ফোরাম চালু করা হয়েছে। এখানে আমরা যদি সবাই নিয়মিত আমাদের চিন্তা ও ভাবনাগুলোকে পোষ্ট করি, তাহলে এই ফোরামই হয়ত এক সময় বিকল্প মিডিয়া হিসাবে আর্বিভূত হবে আমাদের কাছে।

      তোমাদের সবাইকে আলোচনায় অংশগ্রহন করার এবং অন্যদের আলোচনায় অংশ নেয়ার আহ্বান জানানোর অনুরোধ রইল।

    • prodip 10:20 পুর্বাহ্ন on নভেম্বর 16, 2009 Permalink | Reply

      আমরা যদি আমাদের এই ফোরামের আলোচনাকে আমাদের পরিচিত সকল মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পারি, তবে এই ফোরামই বিকল্প গণমাধ্যম হিসাবে আবির্ভূত হতে পারে, যা আমি পূর্বেই বলেছি। আমাদের আলোচনাকে একজায়গায় সংযোজিত করে যদি আমরা কোন প্রকাশনা বের করি, তাহলে আমাদের ভাবনার বিষয়গুলো সাধারণ মানুষের নিকট নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। আবার আমরা যদি নিজ নিজ এলাকায় নিজস্ব বন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে এলাকাভিত্তিক পাঠাগার কিংবা ক্লাব গঠন করে, তাদের গ্রামীণ সাংবাদিক হিসাবে গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহন করি, তবে তারা আমাদের ফোরামে এলাকাভিত্তিক সংবাদ ও সমস্যার কথা তুলে ধরতে পারবে। আমরা সেই সংবাদ ও সমস্যাগুলিকে আমাদের ফোরামের আলোচনায় নিয়ে আসতে পারি এবং সমস্যাগুলো সমাধানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কর্মকৌশল ও উদ্যোগ গ্রহন করতে পারি। উদাহরণ হিসাবে আমাদের আলোচনার বিষয়ই এখানে উল্রেখ করলামঃ
      আমরা কৃষি বীজ নিয়ে দীর্ঘদিন আলোচনা করছি। এখন যদি আমরা কিভাবে কৃষি বীজ উৎপাদনের উদ্যোগ গ্রহন করবো, তা ঠিক করার আগে নিজস্ব এলাকার উদ্যোগী বন্ধু-বান্ধব যাদের ইন্টারনেট অ্যাক্সেস আছে, তাদেরকে তাদের এলাকায় বীজ উৎপাদনের কি কি সুবিধা আছে, কিভাবে তা উৎপাদন করা যায়, কত ব্যয় হয়, কত টাকা লাগে ইত্যাদি বিষয়গুলো কৃষকদের সাথে আলোচনা করে জানাতে বলি, তবে ঢাকাতে বসেই আমরা একটা কৃষিবীজ উৎপাদনের প্রাথমিক ধারণা অর্জন করতে পারবো। এতে ঐ এলাকার সাথে আমাদের একটা যোগাযোগ স্থাপন হবে।

      বর্তমানে সরকার কৃষকদেরকে সহজ শর্তে কৃষিঋণ প্রদানের উদ্যোগ গ্রহন করেছে। কিন্তু ব্যাংকের অসৎ কর্মকর্তাদের কারণে কৃষকরা সেই ঋণসুবিধা নিতে পারেন না। এখন আমরা যদি এ বিষয়ে কৃষকদেরকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে চাই, তবে তা এই ফোরামের মাধ্যমে দিতে পারবো। কিভাবে? প্রথমে আমাদের নিজ নিজ এলাকায় কোন একজনকে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করে তাকে এসব বিষয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে বলা হবে। তিনি সংবাদ সংগ্রহ করে তা ফোরামে আলোচনার জন্য পাঠাবেন। ইন্টারনেট অ্যাক্সেস না থাকলে মোবাইলে ম্যাসেজ দিয়ে কিংবা ফোনে কথা বলে আমরা সংবাদগুলি পেতে পারি এবং আলোচনার জন্য ফোরামে উপস্থাপন করতে পারি। সমস্যাটি আলোচিত হওযার পর আমরা সবাই মিলে সমস্যাটি সমাধানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কর্মকৌশল নির্ধারণ করে সমাধানের উদ্যোগ গ্রহন করতে পারি। এভাবে গ্রাম ও শহরের মধ্যে কিংবা শহর হতে শহরের মধ্যে আমরা আমাদের নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করার মাধ্যমে এই ফোরামকে বিকল্প গণমাধ্যম হিসাবে ব্যবহার করতে পারি।

      এ বিষয়ে অন্যান্যরাও আলোচনা করলে আমরা সবাই একে অপরের চিন্তাগুলিকে জানতে পারি। তাই সবাইকে আলোচনায় অংশগ্রহনের আহ্বান জানাচ্ছি।

      • Badhan Adhikari 12:12 অপরাহ্ন on নভেম্বর 16, 2009 Permalink | Reply

        গুরুত্বপূর্ণ আলাপটি প্রদীপ দা ইতোমধ্যেই তুলে ফেললেন। মুক্ত মিডিয়া কিংবা স্বাধীন মিডিয়া কিংবা বিকল্প মিডিয়া যাই বলিনা কেন, আদতে সেটি কিন্তু একটি সাংগঠনিক প্রক্রিয়া, গোড়ার কথা হলো এইটা। একদল তরুণ নিবেদিতপ্রাণ স্বাধীন সংবাদকর্মী যে মাধ্যমের প্রেরণা। খুব হতে পারে, এখান থেকেই শুরু হচ্ছে সেই সাংগঠনিক প্রক্রিয়া। এখান থেকেই গড়ে উঠছে সেই স্বাধীন মুক্ত মিডিয়া। আমি সবাইকে অনুরোধ করছি, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোকে ব্যবহার করে সেই মুক্ত স্বাধীন সংবাদকর্মী হতে সৎ তরুণ দেশপ্রেমিক নাগরিকদের আমন্ত্রণ জানাতে।

        • Badhan Adhikari 3:34 অপরাহ্ন on নভেম্বর 16, 2009 Permalink | Reply

          আরেকটি কথা যুক্ত করতে চাই। প্রদীপ দা’র আলাপের সূত্র ধরেই। ব্যাংকের অসৎ কর্মকর্তা যারা, তারাও কিন্তু সামাজিক শর্তের কারণেই এমন। একদিকে মুনাফাবাজ বাজারের ভোগবাদী মনন আরেকদিকে গণতন্ত্রহীনতা, যেটাকে আমরা অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র কিংবা সমাজ-গণতন্ত্র, কিংবা সরাসরি গণতন্ত্র নামে ডাকতে পারি, সেই গণতন্ত্রের অভাব। যা অসৎ কর্মকর্তা হতে প্ররোচিত করে। তো যাই হোক, আসল প্রশ্নটাই হলো গণতন্ত্রের। সমাজের তলায় গণতন্ত্র পৌঁছে যাবার। সেই কাজটাই মুক্ত মিডিয়া করতে পারে। গ্রামীণ সাংবাদিক, নিবেদিতপ্রাণ সাংবাদিত তৈরীর মাঝ দিয়ে।

          তারমানে বিকল্প গণমাধ্যম, যথার্থ উন্নয়ন, গণতন্ত্র আর সামাজিক অগ্রগতির প্রশ্নটি মিলিয়ে পড়বার দরকার আছে। এরসাথে স্বাধীন স্বাধীন সাংগঠনিক উদ্যোগকে মিলিয়ে পড়তে পারলে মুক্ত মিডিয়া অআর মুক্ত সমাজের সম্পর্কসূত্র স্পষ্ট হতে থাকবে।

          • prodip 3:58 অপরাহ্ন on নভেম্বর 16, 2009 Permalink | Reply

            ধন্যবাদ, বাধন! আমি শুধু একটি বা দুটি সমস্যার কথা উদাহরন হিসাবে ব্যবহার করেছি। আমরা সবাই জানি, আমাদের চারপাশে হাজার হাজার সমস্যা আছে এবং প্রতিনিয়ত আমরা সবাই সেগুলিকে চিহ্নিত করছি। কিন্তু কেউ সমাধান করার জন্য কার্যকর উদ্যোগ তেমন একটা গ্রহন করছি না। তাই আমরা যে আলোচনা শুরু করেছি, তাকে অব্যাহত রাখার মাধ্যমে আমরা একটা সংঘবদ্ধ জনগোষ্ঠী তৈরী করতে পারি, যারা সমাজের সমস্যাগুলোকে শুধু চিহ্নিত করেই ক্ষান্ত হবে না, বরং সমাধানের প্রক্রিয়ায় সক্রিয় থাকবে সর্বদা, সবসময়। ঠিক এরকম একটা চিন্তা থেকেই এই আলোচনার সূত্রপাত অনেক আগে। কিন্তু ব্যস্ততা এবং জীবিকা আমাদের সবসময় চিন্তা হতে দুরে সরিয়ে রেখেছে। তাই আলোচনা শুরু হয়েছে এবং থেমে গেছে। আবার আলোচনা শুরু হয়েছে, আবার থেমে গেছে। আশার কথা হলো, এভাবেই আজকের এই আলোচনা একজায়গায় একত্রিত না হয়েও সক্রিয় থাকছে ইন্টারনেটের কল্যাণে। হয়ত এটাই এখন আমাদের বিকল্প গণমাধ্যম; যার মাধ্যমে আমরা একত্রিত, সংগঠিত এবং সক্রিয় থাকতে পারব আমাদের চিন্তাগুলোকে বাস্তবায়িত করতে। ধন্যবাদ, আবারো নিয়মিত মন্তব্য প্রকাশের জন্য।

            অন্যদেরও আবারো আহ্বান জানাচ্ছি আলোচনায় অংশগ্রহন করতে। এতে আমরা সবাই উৎসাহিত হবো।

    • prodip 5:38 অপরাহ্ন on নভেম্বর 19, 2009 Permalink | Reply

      প্রিয় বন্ধুরা,
      আমাদের এ সপ্তাহের আলোচক, বাধন অধিকারীকে আজ রাতে হঠাৎ করে তার অফিস থেকে জানিয়েছে যে, আগামীকাল শুক্রবার জরুরি প্রয়োজনে তাকে অফিস করতে হবে। আমরা যেহেতু সবাই নিজের কাজের পাশাপাশি আমাদের ফোরামের আলোচনায় অংশ নিচ্ছি, তাই আমাদের প্রাধান্য দিতে হয় নিজের কাজকে। এই বিবেচনায় আগামীকালের বিকেল ৩টার আলোচনা সভা সন্ধা ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে। আপনারা যারা আগ্রহী, তাদের সবাইকে সন্ধ্যা ৭টায় ওয়ার্কস্টেশনে আসার আহ্বান জানানো হলো।

    • prodip 11:03 পুর্বাহ্ন on নভেম্বর 21, 2009 Permalink | Reply

      কিউবার এক ব্লগারের সঙ্গে আলোচনা করলেন ওবামা: প্রথম আলো, ২১ নভেম্বর ২০০৯

      দেশের নানা বিষয় নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে সম্প্রতি ইন্টারনেটে বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যমে কথা বলেছেন কিউবার ইওয়ানি সানচেজ নামের এক ব্লগার (ইন্টারনেটে দিনপঞ্জি লেখক) সানচেজের পাঠানো কিছু লিখিত বাছাই করা প্রশ্নের খোলামেলা উত্তর দিয়েছেন ওবামা।
      ওবামার উদ্ধৃতি দিয়ে সানচেজ বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওবামা তাঁকে এটা নিশ্চিত করেছেন, কিউবায় মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নতি এবং সর্বোপরি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতার পরিসর বেড়েছে—এমন অবস্থা দেখতে চায় ওয়াশিংটন। ওবামা এসব বিষয় নিয়ে সরাসরি কিউবার প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর সরকারের সঙ্গে আলোচনা করার পক্ষপাতী। তবে এ জন্য তিনি শর্ত হিসেবে দেশটির অনুকূল পরিস্থিতি সৃষ্টির কথা বলেছেন। কিউবার বিরুদ্ধে সামরিক শক্তি প্রয়োগের সম্ভাবনা নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, একমাত্র কিউবার জনগণই পারবে তাদের দেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে।
      সানচেজের এক প্রশ্নের জবাবে ওবামা বলেন, পরিস্থিতি অনুকূল হলে তিনি কিউবা সফরে যেতেও রাজি। কিউবা সফরের সম্ভাবনা তাই তিনি উড়িয়ে দিচ্ছেন না। তিনি চাইছেন আরও বেশি করে কিউবার সঙ্গে নানা বিষয় আলোচনা শুরু করতে। জিনিউজ ডটকম।

  • administer 11:16 am on November 13, 2009 Permalink | Reply  

    প্রথমে এমএস ওয়ার্ডে বিজয় দিয়ে বাংলা লিখুন। লেখা শেষ হলে তা কপি করুন। তারপর নিম্নের লিংকটিতে কিক করুন: http://bnwebtools.sourceforge.net/। যে ওয়েবপেজটি ওপেন হয়েছে, তার নীচের দিকে পুরনো বাংলা বক্সে পেষ্ট করুন। তারপর ইউনিকোডে বদলে ওপরে নাও ইন্সট্রাকশনে কিক করুন। দেখবেন পেষ্ট করা লেখাটি ওপরের ইউনিকোড এডিটর বক্সে ইউনিকোড ফন্টে দেখাবে। তারপর সেই লেখাটি কপি করে আপনার সি-প্যানেল বা কমেন্টের ঘরে পেষ্ট করুন।
    এভাবে ওয়ার্ডপ্রেসে আপনি বাংলায় লিখতে পারবেন।

     
    • prodip 4:03 অপরাহ্ন on নভেম্বর 13, 2009 Permalink | Reply

      ইউনিকোড এডিটরে সামহোয়্যার-ইন সিলেক্ট করেও সরাসরি বাংলা লেখা সম্ভব। এক্ষেত্রে ওয়ার্ডে লিখে এখানে এনে পেষ্ট করতে হবে না। লেখা শেষ হলে সেটি পেষ্ট করে কমেন্টের ঘরে বসিয়ে দিলেই তা বাংলায় দেখা যাবে।

  • administer 7:32 pm on November 4, 2009 Permalink | Reply  

    কৃষি গবেষণায় দাতা সংস্থাগুলোর ওপর নির্ভরশীল না হতে বিজ্ঞানীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার অব এক্সিলেন্সে ‘প্রতিকূল পরিবেশে সহনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবনে জিন প্রযুক্তির ব্যবহার’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ আহ্বান জানান। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে বিশেষ করে লবণাক্ততা ও খরা সহনশীল প্রজাতির ধান উদ্ভাবনে দেশী বিজ্ঞানীরা সচেষ্ট রয়েছেন। কৃষিমন্ত্রী বলেন, “বিশ্বব্যাংক ও অন্যান্য দাতা সংস্থাগুলো কৃষি খাতে ঋণ দানে দীর্ঘসূত্রতার জন্ম দেয়। পরামর্শক নিয়োগ ও সুদের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ ফিরিয়ে নিয়ে যায়।” স্থানীয় বিজ্ঞানীদের নিজস্ব একাগ্রতা ও সরকারের সামর্থ্যরে পরিপূর্ণ সদ্ব্যবহার করলে আরও বেশি সফলতা অর্জন সম্ভব বলে মত দেন তিনি। প্রাণ রসায়ন ও অনুজীব বিজ্ঞান বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত এ আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, জীব বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ আবুল বাশার প্রমুখ। সংগ্রহ – ঢাকা, নভেম্বর ০৪ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

     
    • prodip 7:44 অপরাহ্ন on নভেম্বর 4, 2009 Permalink | Reply

      সেলিমের সুগন্ধি ধান, দৈনিক প্রথম আলো, ১৪ নভেম্বর ২০০৯

      শখের শেষ নেই মানুষের। শখ মেটাতে গিয়ে কষ্টেও ক্লান্তি নেই। বরং এতে আনন্দই বেশি। এ জন্য একজন সংগ্রাহকের নিভৃত ভাণ্ডার সমৃদ্ধ হয় প্রিয় জিনিসে। এমন একজন সংগ্রাহক সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার কদমতলী এলাকার কৃষিপণ্য ব্যবসায়ী আবদুল বাছির ওরফে সেলিম (৩৬)। ৪১ জাতের সুগন্ধি ধান আছে তাঁর সংগ্রহে। শুধু সৌরভেই নয়, আকৃতি এবং চাষের পদ্ধতিতেও বেশ বৈচিত্র্য আছে এসব ধানে। সংগৃহীত ধানে বেশ কয়েকটি বিরল জাত রয়েছে। তবে স্রেফ মনের ক্ষুধা মেটাতেই আর দশজন শখের সংগ্রাহকের মতো এই ব্যতিক্রমী কাজে নামেননি তিনি। দেড় যুগ ধরে সংগৃহীত এসব সুগন্ধি ধান দেশের মানুষের বৃহত্তর কল্যাণে দান করবেন সেলিম। ১ অগ্রহায়ণ ‘কৃষি দিবসে’ কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের কাছে তিনি হস্তান্তর করবেন এসব ধানবীজ। পরে তা সরকারিভাবে সংরক্ষিত হবে।
      অনুপ্রেরণার উত্স: এলাকায় তিনি ‘এবি কৃষি প্রকল্পের সেলিম’ নামে পরিচিত। ‘এবি’ আবদুল বাছিরের সংক্ষিপ্ত রূপ। এই প্রকল্প মূলত তাঁর ব্যবসা। ধানের বীজসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য বিক্রি করেন তিনি। ১৯৯০ সালে ১৭ বছর বয়সে ব্যবসায় নামেন সেলিম। সাধারণ ধান ও সুগন্ধি ধানের দামের মধ্যে বিশাল তফাত দেখতে পান তিনি। সুগন্ধি ধানের বীজ আকৃষ্ট করে তাঁকে। এসব বীজ বিক্রি শুরু করেন তিনি। তাঁর কাছে ধানের বীজ কিনতে আসা চাষিদের তিনি উত্সাহ দেন সুগন্ধি ধান আবাদে।
      ১৯৯৬ সালে সেলিমের উত্সাহে সুগন্ধি ধানের আবাদ শুরু হয় তাঁর নিজ এলাকা দক্ষিণ সুরমায়। শুরুতে একজন কৃষক এক বিঘা জমিতে কাটারিভোগের আবাদ করে ১৬ মণ ধান পেয়েছিলেন। এই ধান উত্পাদনে ব্যয় হয়েছে আড়াই হাজার টাকা। ধান বিক্রি করে পাওয়া যায় ২২ হাজার টাকা। এই সাফল্যের কথা ছড়িয়ে পড়লে অন্য কৃষকেরাও সুগন্ধি ধান আবাদে উত্সাহী হন। দক্ষিণ সুরমার পার্শ্ববর্তী উপজেলা বালাগঞ্জ, গোলাপগঞ্জ, জকিগঞ্জে উচ্চফলনশীল ধানের পাশাপাশি কৃষকেরা অল্প জমিতে কাটারিভোগ ও চিনিগুঁড়ার উত্পাদন শুরু করেন। এখন হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরেও সুগন্ধি ধানের আবাদ হচ্ছে।
      কৃষকদের সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে সুগন্ধি ধান সংগহে অনুপ্রাণিত হন সেলিম। সিলেটসহ সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জের হাওর এলাকা থেকে একে একে বিভিন্ন জাতের সুগন্ধি ধানের বীজ জোগাড় করেন তিনি। এসব ধানের আঞ্চলিক নাম হচ্ছে তুলসীমালা, মৌবিরুই, রাতাবোরো, কন্যাশাইল, লাখাইবিরুই, দুমাই-আউশ, মুরালি-আউশ, বাগদার আমন, কালিজিরা, পাজাম-আমন, ভরিশাইল, তলাবিরুই, কালাপুরা, বাদাল, পাইজং, বাইগনবিচি, পুঁটিবিরুই, কাঁকরভূক, বাসমতি, কালামেকুরি, হাসিম, মালা, জড়িয়া, গেণ্ডিবিরুই, চিনিগুঁড়া, আখমিশাইল, বাশিরাজ, বোরোশাইল, বাদাল-আমন, ময়না, পরীচক, রতি, দামান্দমুখ, খইয়া-বোরো, লাঠি-আমন, গর্সিশাইল, কাটারিভোগ, কেটি, আইন-শাইল, চেংড়ি ও বাইগনবিচি বোরো।
      সেলিমের সঙ্গে একদিন: সম্প্রতি এক সকালে কদমতলী গিয়ে সেলিমের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে তাঁর সঙ্গে দেখা হয়। আধাপাকা এক ঘরে তাঁর নানা রকম কৃষিপণ্যের পসরা। এর মধ্যেই রয়েছে তাঁর শখের আয়োজন। স্বচ্ছ বয়ামে সুন্দর করে তিনি সাজিয়ে রেখেছেন ৪১টি সুগন্ধি ধানের নমুনা। তিনি জানান, হাওরসমৃদ্ধ সিলেট অঞ্চলে এক সময় কেবল সুগন্ধি ধানের চাষ ছিল। এ চাষের মূলে ছিল প্রকৃতির কৃপা। অনেক সুগন্ধি ধানের আবাদে সেচ ও সারের প্রয়োজনই পড়ে না। এমন ধানের মধ্যে আউশ মৌসুমে দুমাই, আমন মৌসুমে কালিজিরা, কালামেকুরি, বোরো মৌসুমের বাদাল উল্লেখযোগ্য। এর মধ্যে কালামেকুরি এক সময় সিলেটের সীমান্ত এলাকায় বেশি চাষ হতো।
      সুগন্ধি ধান নিয়ে অনেক কিংবদন্তি কাহিনীও প্রচলিত রয়েছে। মেয়ের জামাইকে সিলেট অঞ্চলে ‘দামান্দ’ বলা হয়। শ্বশুরবাড়ি দামান্দের মুখ দেখা মাত্র যে ধানের চাল রান্না করতে হবে, তা হচ্ছে ‘দামান্দমুখ’। গ্রামের গৃহস্থ পরিবারে নবজাতক কন্যার মুখ দেখতে গিয়ে ‘কন্যাশাইল’ দিয়ে নিমন্ত্রণ খাওয়ানোর প্রথা অনেক আগে থেকেই প্রচলিত। শুধু রোপণ করলেই ক্ষেত ভরে ওঠে বলে ওই ধানের নাম হয়েছে ‘ভরিশাইল’।
      সেলিম জানান, তাঁর অনুপ্রেরণায় আশপাশের বিভিন্ন এলাকার ২২ জন কৃষক এখন বিভিন্ন ধানের পাশাপাশি সুগন্ধি ধানের চাষ করছেন। এ থেকে তাঁরা প্রত্যেকেই লাভবান হয়েছেন। ভবিষ্যতে এই অঞ্চলে সুগন্ধি ধানের আবাদ বিস্তৃত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। সেলিম বলেন, ‘যদি আমাদের ফসলি এলাকাগুলোতে বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়, যদি কৃষকের গোলা থেকে হারিয়ে যায় সব বীজধান, তখন আমার সংগৃহীত এসব ধানবীজ নিয়ামক হয়ে উঠতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘আমি চাই, আমার সংগ্রহ করা ৪১ জাতের ধান অবিকৃত নামে সংরক্ষিত থাকুক।’
      কৃষিব্যক্তিত্বদের কথা: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সিলেটের উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন জানান, পৃথিবীতে এখন ৪০ হাজার প্রজাতির ধানবীজ সংরক্ষিত রয়েছে। বাংলাদেশে রয়েছে ১২ হাজার প্রজাতির ধানবীজ। এর মধ্যে সংরক্ষিত সুগন্ধি ধান নিয়ে গবেষণা চলছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে। তিনি বলেন, ‘ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে সংরক্ষিত ধানের সঙ্গে সেলিমের সংগ্রহ করা ধানে আঞ্চলিকতার কারণে নামে ভিন্নতা থাকতে পারে। দেখা গেছে, একই প্রজাতির ধানের দক্ষিণাঞ্চলে এক নাম, হাওরাঞ্চলে আরেক নাম। এ জন্য হারানো বা বিলুপ্ত কোনো প্রজাতি তাঁর সংগ্রহে রয়েছে কি না—এ ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া সময়সাপেক্ষ গবেষণার বিষয়। তবে সেলিমের সুগন্ধি ধানের সংগ্রাহকে নির্দ্বিধায় বিরল বলা যায়।’
      হারানো কিংবা বিলুপ্ত প্রজাতি খুঁজতে সময়সাপেক্ষ গবেষণার বিষয় হলেও সেলিমের ধান সংগ্রহ দীর্ঘদিনের একটি মনোযোগী ও মহতী কর্মযজ্ঞ বলে মন্তব্য করেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিতত্ত্ব ও বীজবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান মো. আসাদ-উদ-দৌলা। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘পরিবেশের বিরূপ প্রভাবের কারণে ধানের অনেক প্রজাতি বিলুপ্তপ্রায়। সেলিমের ৪১ জাতের ধানের সংগ্রহ থেকে ভালো বৈশিষ্ট্যগুলো নিয়ে জিন প্রযুক্তির মাধ্যমে উন্নত জাতের ধান উদ্ভাবন করা সম্ভব। এক হাতে ৪১ জাতের ধান সংগ্রহ অবশ্যই সাধুবাদ জানানোর মতো একটি উদ্যোগ। আমি তাঁকে অভিনন্দন জানাই।’

    • kanakbarman 5:56 অপরাহ্ন on নভেম্বর 5, 2009 Permalink | Reply

      বিশ্বব্যাংক বা অন্যান্য দাতা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে ঋণ নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে হয়তো একজন মস্তবড় গবেষক কিংবা বিজ্ঞানী হওয়া যেতে পারে কিন্তু দেশের খুব বেশি উপকারে আসা যায় না।

  • administer 7:01 pm on November 4, 2009 Permalink | Reply  

    Dear All Members, You are welcome here t… 

    Dear Visitor, We are going to form some thematic group for study.

    The themes are: (1) Aid, Trade & Finance, (2) Environment, Ecology & Climate Change, (3) Land, Food & Agriculture, (4) Livelihood, Labour & Employment, and (5) State, Rights & Governance.

    If you wish you can join and moderate discussion of any themes. Do you want to join? Just leave a message!

     
c
compose new post
j
next post/next comment
k
previous post/previous comment
r
reply
e
সংশোধন
o
show/hide comments
t
go to top
l
go to login
h
show/hide help
shift + esc
cancel
Follow

Get every new post delivered to your Inbox.